গাইবান্ধা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গাইবান্ধা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৩

হেফাজতে ইসলামের অপতৎপরতার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় নারীদের সমাবেশ

গাইবান্ধাঃ নারীর ক্ষমতায়ন ও অগ্রগতির বিরুদ্ধে হেফাজতে ইসলামসহ ধর্মান্ধ অশুভ শক্তির অপতৎপরতার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় বুধবার নারী সমাবেশ বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচী পালিত হয়। এ কর্মসূচীতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সংগঠনের নারীরা এ সমাবেশে অংশ নেয়।

শুক্রবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৩

যুদ্ধাপরাধীর শাস্তি চাই

সারাদেশ তখন স্বাধীনতার জন্য উত্তাল। গাইবান্ধার ফুলছড়ি থানা হেড কোয়ার্টারেও তার ঢেউ লাগে। থানা সদরের পাশেই নীলকুঠি গ্রামে সুলতান আলীর বাড়ি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সুলতান আলী বঙ্গবন্ধুর ডাকে মাত্র ২১ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। বাবা আব্দুস সোবহানকে না জানিয়েই দেশ স্বাধীন করার স্বপ্ন নিয়ে একদিন বন্ধু কফিল উদ্দীন, দারাজ উদ্দীন, জয়নাল মিয়া ও আব্বাস আলীকে সঙ্গে নিয়ে নৌকায় চেপে প্রথমে চলে যান কাকড়িপাড়ায়। পরে সেখান থেকে ভারতের মাইনকারচর শহরে গিয়ে পৌঁছান। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর তাকে পাঠানো হয় দার্জিলিংয়ে মুজিব ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য। প্রশিক্ষণ শেষে ৬নং সেক্টর কমান্ডার খাদেমুল বাশারের অধীনে তাদের নিয়োজিত করা হয়।

বুধবার, ২০ মার্চ, ২০১৩

একাত্তরের তাণ্ডবও হার মেনেছে । গাইবান্ধার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রথমআলো | গাইবান্ধা প্রতিনিধি | তারিখ: ২০-০৩-২০১৩
জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডবের ১৯ দিন পর গতকাল মঙ্গলবার গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর। এ সময় তিনি বলেন, ভয়াবহ এই ঘটনা ১৯৭১ সালের নারকীয় তাণ্ডবকেও হার মানিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হবে।

রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০১৩

গাইবান্ধায় জামায়াত শিবিরের হামলায় নিহত শরিফুলের ভাইকে হত্যার চেষ্টা

গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার গংসারহাটে গত ১ মার্চ শুক্রবার জামায়াত-শিবির সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত শরিফুল ইসলামের ছোট ভাই শফিকুল ইসলাম (৩১) শনিবার হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে ওই হত্যা মামলার আসামিরা।
নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, শনিবার দুপুরে নিহত শরিফুলের ছোট ভাই শফিকুল গরুর জন্য ঘাস কাটতে বাড়ির দক্ষিণ-পশ্চিমে মহিষবান্দির বিলে গেলে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা ওই হত্যা মামলার আসামি আব্দুর রাজ্জাক, আজাহার আলীসহ ৯ জনের একটি দল তাকে ঘেরাও করে। তারা শরিফুল হত্যা মামলা তুলে নেয়ার জন্য শফিকুলকে হুমকি দেয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আসামিরা শফিকুলকে বেদম মারপিট শুরু করে। তার চিৎকারে মামা মফিজল হকসহ স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসতে শুরু করে। এ সময় ক্ষিপ্ত আসামীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে শফিকুলকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। তাকে বাঁচাতে গিয়ে মামা মফিজল হক আহত হয়। শফিকুল ইসলাম ও মফিজল হককে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।